Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts
Showing posts with label অন্যান্য. Show all posts

Friday, November 17, 2023

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশ বিদেশের মানুষের অনেক স্মৃতি বহন করে চলছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশ বিদেশের মানুষের অনেক স্মৃতি বহন করে চলছে।

সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক...



ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল দেশ বিদেশের মানুষের অনেক স্মৃতি বহন করে চলছে। চিকিৎসক রুগী (attendance) রুগীর সাথের লোক সবার কতো সুখ দুঃখের স্মৃতি বহন করে চলছে এই হাসপাতাল।বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত একটি সরকারি মেডিকেল কলেজ & হাসপাতাল । হাসপাতালের পশ্চিম পাশে মেডিকেল কলেজ এবং মেডিকেল কলেজএর উত্তর পাশে নতুন বিল্ডিং উত্তর দিকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বা জাতীয় শহীদ মিনার। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ১৯৪৬ সালের ১০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।যা বর্তমানে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় চিকিৎসাবিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানে হতে স্নাতক পর্যায়ে পাঁচ বছর মেয়াদি এমবিবিএস ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে চিকিৎসাবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে বিভিন্ন ডিগ্রি প্রদান করা হয়।

১৯০৪ সালে নবগঠিত পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের সচিবালয় হিসেবে ভবনটি স্থাপিত হয়। নতুন প্রদেশের স্বল্পস্থায়ী মেয়াদে এটি সচিবালয় হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। ১৯২১ সালে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তার যাত্রা শুরু করে, ভবনটির কর্তৃত্ব পায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। সেই সময় বিশাল এই ভবনের একপাশে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টার, একাংশে ছিল ছাত্রদের ডরমেটরি এবং বাকি অংশ কলা অনুষদের প্রশাসনিক শাখা হিসেবে ব্যবহৃত হত। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলে তখন পুরো ভবনটিতেই স্থাপিত হয় ‘আমেরিকান বেস হাসপাতাল’। তবে যুদ্ধ শেষে মার্কিনীরা চলে গেলেও ১০০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালটি থেকে যায়।
বৃহৎ এ হাসপাতালের ধারণক্ষমতা ২৩০০। তবে এটি প্রতিদিন প্রায় ৩৫০০ রোগিকে অন্তঃবিভাগে চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছে৷ এছাড়া হাসপাতালের বহির্বিভাগ ও বিশেষায়িত ক্লিনিকগুলোতে অনেক রোগী দৈনিকসেবা নিয়ে থাকে।

ব্যবস্থাপনা

হাসপাতালের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকেন হাসপাতালের পরিচালক। উপ পরিচালক ও সহকারী পরিচালকগণ এ ব্যাপারে তার সহায়ক হন। হাসপাতালের পরামর্শক, আবাসিক চিকিৎসক, রেজিস্ট্রার, সহকারী রেজিস্ট্রার, মেডিকেল অফিসার, ইন্টার্নসহ, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী ও কর্মচারীগণ পরিচালকের নিকট দায়বদ্ধ থাকেন। এছাড়াও ঢাকা মেডিকেল কলেজের বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপকবৃন্দ সংশ্লিষ্ট বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক হিসেবে চিকিৎসা কার্যক্রমের সাথে সরাসরি যুক্ত থাকেন।


প্রথম থেকে একই কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকলেও ১৯৭৫ সালে প্রশাসনিক সুবিধার্থে কলেজ ও হাসপাতালের কর্তৃপক্ষ পৃথকীকরণ করা হয়। কলেজের দায়িত্বভার অর্পিত হয় অধ্যক্ষের উপর এবং হাসপাতাল পরিচালনার ভার পরিচালকের উপর। তবে উভয় কর্তৃপক্ষই বিভিন্ন কার্যক্রমে একে অপরকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করে শিক্ষাদান ও চিকিৎসা সেবাদানের মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান করে থাকে।
একটি মাত্র ভবন নিয়ে পথচলা শুরু করা ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের নিজস্ব প্রায় ২৫ একর জমিতে বর্তমানে রয়েছে বিভিন্ন স্থাপনা- কলেজ ভবন, অডিটোরিয়াম, পরমাণু চিকিৎসা কেন্দ্র, ছাত্র ও ছাত্রী হোস্টেল, বার্ন ইউনিট ইত্যাদি। শুরুতে হাসপাতাল ভবনেই প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের ক্লাস হলেও ১৯৫৫ সালে একাডেমিক কার্যক্রমের জন্য বর্তমান কলেজ ভবনটি নির্মিত হয়। এতে বেসিক সাবজেক্টগুলির জন্য স্থান বরাদ্দের পাশাপাশি আরও কিছু স্থাপনা রয়েছে। ২৮টি বিভিন্ন বিভাগ এবং হাসপাতালে ৪২টি ওয়ার্ডে ২৩৪ জন ডাক্তার, ২০০ জন ইন্টার্নি ডাক্তার, ৫৬০ জন নার্স এবং ১১০০ জন অন্যান্য কর্মচারী নিয়োজিত আছেন রোগীদের সার্বক্ষণিক চিকিৎসা দিতে। প্রায় ২৩০০ শয্যার এই হাসপাতালে প্রতিদিন প্রায় ৩৫০০ জনকে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। এ হাসপাতালকে ৫০০০ শয্যার হাসপাতালে রূপান্তরিত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে ।

স্মৃতিময় ঢামেক 

বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ষাটের দশকের বিভিন্ন ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় রাজনীতিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে। ১৯৭১এর মুক্তিযুদ্ধে এই কলেজ থেকে পাশ করা চিকিৎসক, তৎকালীন ছাত্র, কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উল্লেখযোগ্য অবদান রেখেছে।ডাক্তাররা এরশাদ সরকার ঘোষিত গণবিরোধী স্বাস্থ্যনীতির বিরুদ্ধে বিএমএর ব্যানারে ১৯৯০এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন। 


গত ২৪ সেপ্টেম্বরের কথা বন্ধু মোশারফ আর আমি ডামেকহা'র ডক্টরস্ কেন্টিন থেকে রাতের খাবার শেষ করে ফিরছিলাম নতুন বিল্ডিং এর নিচতলায় আত্মীয়স্বজনের চিৎকার কারণ কিছুখন পূর্বে তাদের রুগী শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছে। এমন ঘটনা প্রতিদিনই কম বেশি ঘটে অনেক হাসপাতালে রাখেনি শেষ আশ্বাস ডামেকহা এখান থেকে অনেক রুগী সুস্থ হয়ে উঠে। ডামেকহার প্রতিটি নার্স,ডক্টর, শিক্ষার্থী, কর্মচারী অনেক পরিশ্রমের সাথে যত্ন নিয়ে রুগীর সেবা দিয়ে থাকে।আপনি নিজ চোখে না দেখলে বুঝতে পারবেন না তারা কি পরিমাণ পরিশ্রম করে। তবে বেশির ভাগ অনিয়ম গুলো ঘটে বহিরাগতের দ্বারা ভিতরে তাদের সহযোগী থাকতে পারে। কিন্তু এই বিষয়ে নিশ্চিত ভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। একই দিনে রাজধানীর রমনা এলাকায় ‘জ্বালানি মন্ত্রণালয়’ লেখা একটি গাড়ির ধাক্কায় এক মোটর সাইকেলচালকের পা ভেঙে গেছে। তাঁর নাম ইকরামুল রাব্বি (২৭)। আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলের আরোহী হেলাল উদ্দিন (২৮)। রোববার রাত সাড়ে আটটার দিকে হেয়ার রোডে এ ঘটনা ঘটে। পরে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল নিয়ে আসা হয়। ইমার্জেন্সি বিভাগে প্রতি রাতে অনেক এক্সিডেন্ট —এর পেশেন্ট আসে যারা সন্ত্রাসী হামলা কিংবা বিভিন্ন দূর্ঘটনার শিকার হয়েছে। 

এই ঢামেকহাতে আমাদের অনেক স্মৃতি রয়েছে বগুড়ার জিহাদ, সাইফুর,অনামিকা, কুমিল্লার : মোশাররফ, কামরুল, ঢাকার : হাশমত,আনোয়ার, রাজিব,ফারহানা,মোরাদ,নাদিয়া কক্সবাজারের আজহার, সালাম ভাই সহ অনেকে ডিউটির ফাঁকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ঘুরাঘুরি, কখনো সবাই মিলে ছুটে যেতাম লালবাগ, আহসান মঞ্জিল,কার্জন হল,টিএসসি,লালবাগের কেল্লা এখনো মনে হয় সেদিনের কথা সবাই সময়েে পরিক্রমায় পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে দ্বায়িত্ব বেড়ে যাচ্ছে। অনেকেই চলে গেছে নিজেদের দেশে কেউ কেউ চেম্বার করছে। আবার কেউ নিজেই হাসপাতালের মালিক তবে এখনো নিয়মিত ডিউটি করে যাচ্ছে আনোয়ার, মোশাররফ, হাশমত সবার জন্যই শুভকামনা মানব সেবায় মানুষের কল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিবে এটাই প্রত্যাশা।
আয়েশা মেম ডাঃ শারমিন সুলতান, আঞ্জুমান মেম দের কথা মনে পড়ে যারা আমাদের কে যত্ন সহকারে শিখিয়েছেন চিকিৎসার জটিল সব বিষয়। তাছাড়া ডাঃ মামুন স্যার,দেবাশীষ স্যার, রাজিব স্যার সহ সবাইকেই মনে পড়ে কারণ তাদের অবদান আমরা কেউ কখনো অস্বীকার করতে পারবো না। সবার ভালোর জন্য সব সময় দোয়া করি তারা যেন ভালো থাকেন।

ঢামেকহার দৃষ্টিনন্দন ভবনটি সময়ের সঙ্গে পুরুনো হয়ে গেছে, পাশাপাশি হাসপাতালে দিন দিন রোগী বাড়ায় সেই রেল স্লিপারের ওপরেই নির্মিত হয়েছে সম্প্রসারিত ভবন। রোগীদের নিরাপদ আশ্রয় হওয়া ১২০ বছরের পুরনো এই ভবনটি এখন নিজেই আর নিরাপদ নেই। বর্তমানে মূল ভবনে হাসপাতালের পরিচালকের অফিস। এই অফিসের নিচেই ছিল ব্রিটিশদের অস্ত্র কারখানা। সম্প্রতি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মূল ভবন পরিদর্শনে অগ্নিকান্ডের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। ডাক্তার, নার্স, কর্মচারীরা বলেন, এই ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটি যেকোন সময় জগন্নাথ হলের মতো ভেঙে পড়ে বিভীষিকাময় অবস্থার সৃষ্টি করতে পারে। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজমুল হক বলেন, ৫ হাজার বেডের নতুন ভবনটি নির্মাণ করতে ৫ থেকে ৭ বছর সময় লাগবে। এই সময়ে রোগীদের চিকিৎসা সেবা যাতে ব্যাহত না হয় সেজন্য পুরাতন ভবনের যে অংশ মেরামত করার অযোগ্য সেটা ভেঙে ফেলা হবে। আর যেটা মেরামত করার যোগ্য সেটা সংস্কার করা হবে।

বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ক্যাম্পাসে ৫০০০ বেডের অত্যাধুনিক হাসপাতাল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। সব ধরনের চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা রয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, নিউরো সার্জারি, অর্থপেডিক, হৃদরোগ, বোন ম্যারো ট্রান্সপ্লান্টসহ সাব-স্পেশালাইজড সব ধরনের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে এখানে। সঠিকভাবে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত ও নতুন ভবন নির্মাণ করতে পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিবকে (উন্নয়ন) আহ্বায়ক করে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। হাসপাতালের মূল ভবন, ডিএসসি-২ ভবনের সামনে ডক্টরস হোস্টেলের রক্ষণাবেক্ষণ করাসহ তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেছেন।


স্থাপত্যবিদ ইকবাল হাবিব ইত্তেফাককে বলেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শত বছরের পুরনো যে ভবন রয়েছে তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে। এখন আপনি চাইলেই এটা ভেঙে ফেলার সুযোগ নাই। ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করতে হবে। এই ভবনটি ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজরিত। এই ভবনটির নকশা ঠিক রেখে সংরক্ষণ করতে হবে। আমার বিশ্বাস এই কাজ করার মত মানুষ আমাদের আছে। তারা বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখবেন। ভবনটিকে কিভাবে সংরক্ষণ করা যায় সেটা ভেবে দেখবেন।
এ প্রসঙ্গে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শফিকুল আলম চৌধুরী বলেন, হাসপাতাল ভবন ও কলেজ বিল্ডিং ভাঙা হবে এটা ঠিক। তবে, তার আগে, বকশি বাজারে ডা, ফজলে রাব্বী হলের মাঠে দুইটি অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। এরপর পুরানো ভবন ভাঙার কার্যক্রম শুরু হবে।

ডাক্তার ও নার্সদের বিড়ে ক্যাম্পাস ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ

ডাক্তার ও নার্সদের বিড়ে ক্যাম্পাস ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ

সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক...


ডাক্তার ও নার্সদের বিড়ে ক্যাম্পাস ও হাসপাতাল প্রাঙ্গণ





প্রতিদিন সকাল রাত দুপুরে বিড় জমে যায় রুগী ও তাদের আত্মীয় সজনদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল প্রাঙ্গণে। সকাল থেকে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের আনাগোনা দেখা যায় মেডিকেল ক্যাম্পাসে। পাশেই অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার ২১ ফেব্রুয়ারী আসলে মানুষের ভীড় লেগে যায় এমন সৌন্দর্যে বিমোহিত হয়ে ওঠে শিক্ষার্থীদের মন। সকালে   সবাই জড়ো হয় শ্রদ্ধা জানাতে  এই শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে। যারা বাংলা ভাষা আন্দোলনে শহীদ (আত্নত্যাগ) হয়েছেন, তাদের স্মৃতি রক্ষার্থে  নির্মাণ করা হয়েছে এই শহিদ মিনার আর সেখানেই প্রতিদিন ভিনদেশী শব্দের সংমিশ্রণ।

ফেব্রুয়ারী মাসের ২১ তারিখ শহর ও বিভিন্ন প্রত্যন্তের এলাকা থেকেও অনেকে এ সময় এখানে আসে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য এক চিলতে সময় কাটানোর আশায়। কিন্তু বছরের সব দিন শহিদ মিনারে এই চিত্র দেখা যায় না।

অপর দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল প্রতিদিন একই চিত্র ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ফুটে উঠে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাসের ভেতরে ছোট্ট একটি বাগানের মতো আছে। সেখানে প্রায় সময় ক্লাসের ফাঁকে শিক্ষার্থীরা বন্ধুবান্ধব এক সাথে বসে আড্ডা ছবি তুলা হয়ে থাকে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সৃষ্টি হয়েছে মানুষের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সেখানেও দালালের খপ্পরে পরে প্রতারিত হচ্ছে অনেক রুগী ও তার স্বজনরা। চিকিৎসা সেবাটা কি আরও সহজতর করা যায় না। জানি কতৃপক্ষ যথেষ্ট চেষ্টা করছেন তবুও কোথাও যেন একটা কমতি থেকে যাচ্ছে চিকিৎসা সেবার মান নিশ্চয়তায়। 

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগ বা আউটডোর শুক্রবার, শনিবার ও সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া অন্যান্য দিন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ২ টা পর্যন্ত রোগী দেখা হয়। তাই এই দিন গুলো তে সকাল ৮ পূর্ব থেকে দুপুর  ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত দেখা যায় রুগী, ডাক্তার,রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং বিভিন্ন দালাল চক্রের আনাগোনা। 


জরুরি বিভাগের ভীড় যেন কখনো শেষ হয় না সব সময় লেগেই থাকে। ওয়ার্ড গুলোতে দেখা মিলে রুগী ও সজনদের আর্তনাদ এসব দেখে যখন মন খারাপ হয়ে যায় তখন পূর্ব পাশের দিকটাতে খোলামেলা যায়গায় কিছুটা সবুজ ও ফুলের মুগ্ধতায় হারিয়ে যেতে হয় এক অনাবিল দুঃখ কষ্টের মধ্যে স্বপ্নের জগতে।

তখন একটা লাইন বার বার মনে পড়ে প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম। আমাদের দেশে কোনো ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর কিছুদিন আলোচনা থাকে, হৈ-চৈ শুরু হয় এটা নিয়ে কিছুদিন অনেকেই কথা বলে। কিন্তু ঘটনা যেন আর না ঘটে তার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় না। তাই আসুন, নিজ নিজ অবস্থান থেকে অনিয়ম এর বিরুদ্ধে নিজেদের দায়িত্ব-কর্তব্য পালন করি। পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের প্রতি আবেদন, তারা যেনো এসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ ও যথাযথ ভাবে বাস্তবায়ন করে। কেন বললাম এই কথা তা জানেন? ঢাকা মেডিক্যাল এর আশে পাশে দেখা মিলে মাদক সেবনকারীদের যারা প্রকাশ্য মাদক সেবন করে যাচ্ছে। অথচ পাশেই পুলিশের গ্রুপ তাছাড়া কাছাকাছি অবস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

পুলিশ জনগণের বন্ধু এই কথাটার বাস্তবায়ন চাই শুধু কথা নয় কাজেও তা প্রমাণিত হউক। আরও একটি বিষয় শিক্ষার্থীদের দ্বারা যদি এখন থেকেই ভালো কাজের আলো ছড়িয়ে না পড়ে তবে ভবিষ্যতে মানুষ তাদের কাছ থেকে কি-ই বা আশা করতে পারে।

যাইহোক মূলকথা হলো প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধই উত্তম যদি এই সকল অনিয়ম বন্ধ এবং জনসচেতনতা সৃষ্টি নিজের প্রতি যত্নশীল ও জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় তবে হাসপাতালে রোগীর থেকে বেশি চিকিৎসক থাকবে বলে আমি মনে করি। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এমন অনেক রুগী দেখেছি যাদের মধ্যে কেউ কেউ ছিলো সিকিউরিটি গার্ড যাদেরকে ছুড়িক আঘাত করে জখম করেছে মাদকাসক্ত সন্ত্রাস চক্র এমন অনেক রুগী দেখেছি নিজেদের প্রতি যত্নশীল না হওয়ায় রুগ বাসা বেঁধেছে তাদের শরীরে। হতাশা, অবহেলায়, দুশ্চিন্তায় নিজেকে ঠেলে দিচ্ছে মৃত্যুর দারপ্রান্তে। তাই বলছি সচেতন থাকুন সৎ থাকুন সবাই মিলে সুস্থ থাকুন। 

 সমস্যা বোঝার চেষ্টা করুন , করুন সমাধান;  পাশের মানুষের সাহায্যে এগিয়ে যান! 


খুব শিঘ্রই নতুন চমক আসছে

খুব শিঘ্রই নতুন চমক আসছে

সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক...

রিয়ান



তরুণ মেধাবী কন্ঠশিল্পী'Oxygen RiyaN' যার স্বপ্ন গুলো আজ বাস্তবে রূপ নিচ্ছে আপনাদের ভালোবাসায়।
সালটা ছিল ২০১৮ তখন থেকেই তার গানের প্রতি এক আলাদা রকমের ভালোলাগা ভালোবাসা শুরু হয় এবং তার ভিতরে একটা সুপ্ত বাসনা জাগে তিনি একদিন অনেক বড় গায়ক হবেন। তারপর থেকেই তিনি গান লেখা গানের স্কেল, টিউন সম্পর্কে ধারনা নিতে থাকেন।

এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি যা বর্তমানে তিনি বাস্তবে রূপ দিয়ে আসছেন। তিনি তার নিজ চ্যানেলের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি চ্যানেলে যুক্ত আছেন। তিনি জানিয়েছেন তার পছন্দের একটি গান "তুমি আমার ছিলে অক্সিজেন" গানটি সম্পর্কে আরো বলেছেন জগতে প্রতিটি মানুষেরই একজন প্রিয় মানুষ থাকে, যাকে সে তার পৃথিবী মনে করে। আর আমার ভাষায় আমি তাকে বলে থাকি অক্সিজেন। 

এবার "Next Entertainment" এর ব্যানারে নির্মিত কিছু গান আসতেছে বলে জানিয়েছেন এই তরুণ কন্ঠশিল্পী। পরিশেষে গান গুলোর মিউজিক কম্পোজার আতিক হাসান বলেছেন তার ভিতরে একটা সুন্দর প্রতিভা আছে। তার প্রত্যেকটি গানের কথা সুর আমার হৃদয় স্পর্শ করেছে। আশা করি দর্শকদের ভালো কিছু উপহার দিতে পারবো।
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি

ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি

সত্যের সন্ধানে বলিষ্ঠ, সত্য প্রকাশে নির্ভীক...




ঢাকা শহর থেকে যে কয়েকটি জেলা অতি নিকটে তার মধ্যে আমাদের গাজীপুর জেলা অন্যতম। এই গাজীপুর জেলাতেই ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্ক অবস্থিত। গাছে গাছে ঢাকা এ উদ্যানের প্রতিটি জায়গাই দৃষ্টিনন্দন নজরকাড়া। সারি সারি বৃক্ষের মাঝে পায়ে চলা পথ। হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে পড়লে বিশ্রামের জন্য আছে বেঞ্চ কিংবা ছাউনি। বনের মাঝে কোথাও কোথাও চোখে পড়বে ধানক্ষেত। কোথাও আবার পুকুর কিংবা ছোট আকারের লেক।একসময় ভাওয়াল উদ্যানে পাওয়া যেত ব্লাক প্যান্থার, চিতা বাঘ, ময়ূর, হাতি। এসব এখন ইতিহাস। ক্রমাগত বন উজাড়ের ফলে দিনে দিনে এর পরিধি কমে আসায় এ বন থেকে বিলুপ্ত হয়েছে নানান বন্যপ্রাণী। তবে বাংলাদেশ সরকার এ বনকে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেয় স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে। 
ঢাকার গাড়ি ঘোড়া দেখে দেখে যদি একটু ক্লান্ত হয়ে থাকেন সেক্ষেত্রে জাতীয় উদ্যানে আছে ঘন বন আর ঝোপ জঙ্গল। শাল বা গজারি, এই উদ্যানের প্রধান বৃক্ষ। এসব ছাড়াও ২২০ প্রজাতির গাছপালা আছে এখানে। বনের ভেতর দিয়ে ঘুরে বেড়ানোর জন্য আছে রাস্তা ও হাইকিং ট্রেইল যেখানে নিরিবিলি নিজের মত করে হেঁটে দেখতে পাবেন একেকটি গাছ। ১৯৭৪ সাল থেকে কার্যক্রম শুরু হলেও, আনুষ্ঠানিক ভাবে ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যান হিসেবে এটি স্বীকৃতি পায়। জলে ভাসা পদ্ম দেখতে ছুটে যেতে পারেন এইখানে। উদ্যানের বিশালাকার কয়েকটি লেক, যার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে পদ্মপুকুর। এই লেকটিতে পদ্মফুলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য হৃদয়কাড়া। সেই সাথে অরণ্যের গাঢ় সবুজে জলের সমাহার এই উদ্যানের সৌন্দর্যকে করেছে অনন্য। জাতীয় উদ্যান নিজ মনে ঘুরে বেড়ানোর মত আনন্দই অন্য রকম লেকগুলোতে নৌকায় ঘুরতে পারবেন, আবার ইচ্ছে করলে বড়শি দিয়ে মাছ ধরতেও পারবেন। সেই ব্যবস্থাও আছে, যদিও সেজন্য একটি নির্দিষ্ট অংকের অর্থ গুনতে হবে আপনাকে। ঘুরতে আসা সকলের জন্য আরও আছে, প্রজাপতি বাগান, যেখানে দেখতে পারবেন নানা প্রজাতির রঙ বেরঙের প্রজাপতি! দু-একটা প্রজাপতি যদি আপনার কাঁধে নাই বসে, তাহলে এই ট্যুর যেন বৃথা! শুধু প্রজাপতি দেখেই কিন্তু শেষ নয়। আছে কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্র যেখানে দেখা মিলবে সব বয়সী কচ্ছপদের। সাথে আছে মিনি এক চিড়িয়াখানা। সমস্ত উদ্যানটা এক সাথে এক সময়ে দেখতে চাইলে রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান সাধারণত খোলা থাকে ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত। উদ্যানে প্রবেশ করতে আপনাকে দিতে হবে মাত্র ১০ টাকা। সাথে পাচ্ছেন নিরাপদে গাড়ি রাখার সুবিধা। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ঘুরে যদি সময় থাকে ঘুরে আসতে পারেন, ভাওয়াল রাজবাড়ি থেকে। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে কেবল ১৫ কিলোমিটার দূরেই অবস্থিত এই জমিদার বাড়ি। অতীতের পাতায় একটু সময় কাটিয়ে আসতে ঘুরে দেখা জরুরী এই জমিদার বাড়ি। বিশাল এই জমিদার বাড়ি আসলেই যেন এক গোলক ধাঁধা। ঘুরতে ঘুরতে কখন যে হারিয়ে যাবেন। যাইহোক জাতীয় উদ্যানের বিষয়ে ফিরে আসি।
পৃথিবীর অন্যান্য জাতীয় উদ্যানের আদলে ৫০২২ হেক্টর জমিতে ১৯৭৩ সালে এ উদ্যান সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের মূল উদ্ভিদ হলো শাল। প্রায় ২২০ প্রজাতির গাছপালা আছে এ বনে। এর মধ্যে ৪৩ প্রজাতির বিভিন্ন রকম গাছ, ১৯ প্রজাতির গুল্ম, ৩ প্রজাতির পাম, ২৭ প্রজাতির ঘাস, ২৪ প্রজাতির লতা, ১০৪ প্রজাতির ঔষধি গাছ। জীব বৈচিত্র্যেরও কমতি নেই এ বনে। প্রায় ১৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৯ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫ প্রজাতির পাখি ও ৫ প্রজাতির উভচর প্রাণীও রয়েছে এ বনে। গজারি বৃক্ষের আধিক্যের কারণে অনেকের কাছে এটি ভাওয়ালের গজারির গড় হিসাবেও পরিচিত। প্রায় ৫০২২ হেক্টর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান ১৯৮২ সালে জাতীয় উদ্যানের স্বীকৃতি লাভ করে। উদ্যানের ২২১ প্রজাতির গাছের মধ্যে রয়েছে ৪৩ প্রজাতির বৃক্ষ, ১৯ প্রজাতির গুল্ম, ৩ প্রজাতির পাম, ২৭ প্রজাতির ঘাস, ২৪ প্রজাতির লতা ও ১০৪ প্রজাতির ঔষধি গাছ। এছাড়াও রয়েছে ৬৪ বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণী যাদের মধ্যে ১৩ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী, ৯ প্রজাতির সরীসৃপ, ৫ প্রজাতির পাখি ও উভচর প্রাণী অন্তর্ভুক্ত। প্রাকৃতিক মনোরম পরিবেশ ও জীব বৈচিত্রে পরিপূর্ণ এই উদ্যানে ছুটির দিনে অনেকে পিকনিক এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। ভাওয়াল গড়ের ৩ নাম্বার গেট দিয়ে প্রবেশ করলে প্রথমেই টেরাকোটায় মোড়ে প্রবেশ দ্বারের দুটি হাতির ভাস্কর্য নজরে পড়বে। উদ্যানের ভেতরে রয়েছে ৩১ টি পিকনিক স্পট, ১৯ টি চমৎকার কটেজ, অত্যাধুনিক রেস্ট হাউজ, প্রজাপতি বাগান, কচ্ছপ প্রজনন কেন্দ্র ও শিশুপার্ক। উদ্যানের সারি সারি বৃক্ষের মাঝে হাঁটতে হাঁটতে ক্লান্ত হলে বিশ্রামের জন্য রয়েছে বেঞ্চ বা ছাউনি। বিস্তৃত এই বনের মাঝে আরো চোখে পড়বে সবুজ ধানক্ষেত, পুকুর বা ছোট লেক। লেকের জলে নৌকায় ঘুরে বেড়ানোর সাথে সাথে পুরো উদ্যান দেখার জন্য রয়েছে সুউচ্চ ওয়াচ টাওয়ার।

ঢাকা মহাখালী থেকে ২৮ কিলোমিটার দূরে ও গাজীপুর থেকে মাত্র ৪.৩ কিলোমিটার দূরে ন্যাশনাল পার্কটি অবস্থিত।ঢাকার মহাখালী থেকে সম্রাট, অন্যন্যা,উজানভাটি এবং প্রভাতী বনশ্রী পরিবহন সহ কিশোরগঞ্জ, চালাক চার, ময়মনসিংহগামী যেকোনো বাসে চড়ে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের ফটকের সামনেই নামা যায়। ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের প্রবেশ মূল্য জনপ্রতি ২০ টাকা। প্রাইভেট কার কিংবা মাইক্রোবাস নিয়ে প্রবেশ করতে লাগবে ৩০ টাকা আর মিনি বাসের জন্য প্রবেশমূল্য ৫০ টাকা। 


ভাড়া ও প্রবেশমূল্য
সূর্যোদয় হতে সূর্যাস্থ পর্যন্ত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান পরিদর্শন করা যায়। জনপ্রতি প্রবেশ মূল্য ২০ টাকা। প্রবেশ মূল্যের সাথে শিশু পার্ক, ওয়াচ টাওয়ার, মিনি চিড়িয়াখানা এবং পাবলিক টয়লেটের চার্জ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস বা বাসে নিয়ে প্রবেশ করতে চাইলে যথাক্রমে ৬০, ১০০ ও ২০০ টাকা প্রদান করতে হয়।

যোগাযোগ
পিকনিক স্পট বা রেস্ট হাউজ ভাড়া নেওয়ার জন্য বন বিভাগের মহাখালি কার্যালয় থেকে অগ্রিম বুকিং দিতে হয়। এছাড়া ভাওয়াল গড় থেকেই সামান্য দূরে অবস্থিত রাজেন্দ্রপুর জাতীয় উদ্যানের রেঞ্জ কার্যালয় থেকেও নির্ধারিত ফি জমা দিয়ে ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের বুকিং নেওয়া যায়।
 মোবাইল: 01781-733000, 01713-575055

কিভাবে যাবেন
গাজীপুর সদর থেকে ভাওয়াল গজারির গড় অর্থাৎ ভাওয়াল ন্যাশনাল পার্কের দূরত্ব মাত্র ৩ কিলোমিটার। জয়দেবপুর চৌরাস্তা পার হয়ে একটু সামনে এগোলেই হাতের ডান দিকে ভাওয়াল গড়ের প্রধান প্রবেশ পথ নজরে পড়বে। ঢাকা থেকে নিজস্ব গাড়ীতে অথবা মহাখালি, বিমানবন্দর বা রাজেন্দ্রপুর চৌরাস্তা থেকে ঢাকা-ময়মনসিংহ হাইওয়ে দিয়ে ময়মনসিংহগামী যেকোন বাসে ভাওয়াল উদ্যানে যেতে পারবেন। আবার গুলিস্থান থেকে প্রভাতি বা বনশ্রী পরিবহনের বাসে উঠে ন্যাশনাল পার্কের ৩ নাম্বার গেটে নামার কথা বললে সরাসরি ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের প্রধান গেটে নামতে পারবেন। বাস ভেদে জনপ্রতি ভাড়া ৮০ থেকে ১০০ টাকা।


কোথায় থাকবেন
ঢাকা থেকে ভাওয়াল উদ্যানে সারাদিন ঘুরে বিকাল বা সন্ধ্যার মধ্যেই ফিরে আসা যায়। এছাড়া রাতে থাকার জন্য ভাওয়াল গজারি গড়ের কাছে আছে সারাহ, সোহাগ পল্লী, স্প্রিং ভ্যালী, ছুটি, নক্ষত্রবাড়ি এবং জল ও জঙ্গলের কাব্যের মতো বেশ কিছু রিসোর্ট। তবে রিসোর্টগুলোতে যেতে চাইলে আগে থেকে বুকিং দিয়ে রাখা ভাল। এছাড়া গাজীপুরে সাধারন মানের অসংখ্য হোটেল রয়েছে।

কোথায় খাবেন
ভাওয়াল গড়ের ভিতরে হালকা চা ও নাস্তা খাওয়ার ছোট টঙ্গের দোকান ও ক্যান্টিন রয়েছে। তবে পিকনিক বা কোনও অনুষ্ঠানে বিশেষ অনুমতি সাপেক্ষে কটেজে রানা-বান্না করার সুযোগ আছে।      

কিছু সতর্কতা
নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে শুধু এক বা দুইজন না গিয়ে গ্রুপ করে ভাওয়াল গড়ে ঘুরতে যাওয়া ভালো।
ভাওয়াল ন্যাশনাল উদ্যানের কটেজে রাত্রিযাপনের অনুমতি নেই।
উদ্যানের ভিতরের লেকে মাছ ধরা ও পাখি শিকার করার ব্যাপারে বিধি নিষেধ আছে।
উদ্যানের সিকিউরিটি এলাকার বাইরে যাওয়া বিপদজনক।
উদ্যানের ভিতর মাইক বা উচ্চ শব্দ তৈরি করা যেকোন বাদ্যযন্ত্র বাজানো নিষেধ।
বনের ভিতরে হাটার সময় সাথে সান গ্লাস, টুপি, পানির বোতল ও এন্টিসেপটিক ক্রিম সাথে রাখুন।

গাজীপুরের অন্যন্য দর্শনীয় স্থান

গাজীপুরের অন্যান্য দর্শনীয় স্থানের মধ্যে নুহাশ পল্লী, বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ও রাজেন্দ্র ইকো পার্ক উল্লেখযোগ্য।
ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান থেকে রাজেন্দ্র ইকো পার্ক —এর দূরত্ব ১২ কি.মি, নুহাশ পল্লী ১১ কি.মি. এবং বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক ১০ কি.মি। 

 যে কোন পর্যটন স্থান আমাদের সম্পদ, আমাদের দেশের সম্পদ। এইসব স্থানের প্রাকৃতিক কিংবা সৌন্দর্য্যের জন্যে ক্ষতিকর এমন কিছু করা থেকে বিরত থাকুন, অন্যদেরকেও উৎসাহিত করুন। দেশ আমাদের, দেশের সকল কিছুর প্রতি যত্নবান হবার দায়িত্বও আমাদের।

সতর্কতাঃ হোটেল, রিসোর্ট, যানবাহন ভাড়া ও অন্যান্য খরচ সময়ের সাথে পরিবর্তন হয় তাই ভ্রমণ গাইডে প্রকাশিত তথ্য বর্তমানের সাথে মিল না থাকতে পারে। তাই অনুগ্রহ করে আপনি কোথায় ভ্রমণে যাওয়ার আগে বর্তমান ভাড়া ও খরচের তথ্য জেনে পরিকল্পনা করবেন। আপনাদের সুবিধার জন্যে যোগাযোগ এর মোবাইল নাম্বার দেওয়া হয়েছে। তবে অবশ্যই এসব নাম্বারে কোনরূপ আর্থিক লেনদেনের আগে যাচাই করার অনুরোধ করা হলো। 
কতৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি ভাওয়াল জাতীয় উদ্যানের সৌন্দর্য রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করুন। এই দৃষ্টিনন্দন জাতীয় উদ্যান অবহেলায় আস্তে আস্তে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে এর সৌন্দর্য নিরাপত্তা ব্যাবস্থা জোরদার করুন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করুন।

Wednesday, October 25, 2023

Sunday, October 22, 2023

উইকিপিডিয়া

উইকিপিডিয়া

উইকিপিডিয়া
একটি উন্মুক্ত বিশ্বকোষ, যা সবাই সম্পাদনা করতে পারে।

উইকিপিডিয়া হলো সম্মিলিতভাবে সম্পাদিত, বহুভাষিক, মুক্ত প্রবেশাধিকার, মুক্ত বিষয়বস্তু সংযুক্ত অনলাইন বিশ্বকোষ যা উইকিপিডিয়ান বলে পরিচিত স্বেচ্ছাসেবকদের একটি সম্প্রদায় কর্তৃক লিখিত এবং রক্ষণাবেক্ষণকৃত। স্বেচ্ছাসেবকরা উন্মুক্ত সহযোগিতার মাধ্যমে এবং মিডিয়াউইকি নামে একটি উইকি -ভিত্তিক সম্পাদনা ব্যবস্থা ব্যবহার করে। এটি ধারাবাহিকভাবে সিমিলারওয়েব এবং পূর্বে আলেক্সা কর্তৃক র‍্যাঙ্ককৃত ১০টি জনপ্রিয় ওয়েবসাইটগুলির মধ্যে একটি; ২০২৩-এর হিসাব অনুযায়ী উইকিপিডিয়া বিশ্বের ৫ তম জনপ্রিয় সাইট হিসেবে স্থান পেয়েছে।ফেব্রুয়ারি ২০১৪ সালে, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানায় উইকিপিডিয়া সমস্ত ওয়েবসাইটের মধ্যে বিশ্বব্যাপী পঞ্চম স্থানে অবস্থান করছে, "মাসিক প্রায় ১৮ বিলিয়ন পৃষ্ঠা প্রদর্শন এবং প্রায় ৫০০ মিলিয়ন স্বতন্ত্র পরিদর্শক রয়েছে। উইকিপিডিয়ায় ইয়াহু, ফেসবুক, মাইক্রোসফট এবং গুগলের পথানুসরণ করে, সর্বাধিক ১.২ বিলিয়ন স্বতন্ত্র পরিদর্শক রয়েছে।

উইকিপিডিয়া

উইকিপিডিয়া ওয়ার্ডমার্ক
একটি মুক্ত বিশ্বকোষ
উইকিপিডিয়ার প্রতীক, বিভিন্ন লিখন পদ্ধতির অক্ষর সমন্বিত একটি গ্লোব


স্ক্রিনশট
বাংলা উইকিপিডিয়া প্রধান পাতা
সাইটের প্রকার
ইন্টারনেট বিশ্বকোষ
উপলব্ধ৩৩৫টি ভাষায়
মালিকউইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন
প্রস্তুতকারকজিমি ওয়েলসল্যারি স্যাঙ্গার[১]
স্লোগানমুক্ত বিশ্বকোষ যা যে কেউ সম্পাদনা করতে পারেন
ওয়েবসাইটwikipedia.org
অ্যালেক্সা অবস্থাননেতিবাচক বৃদ্ধি ১৩ (বৈশ্বিক, ফেব্রুয়ারি ২০২০)[২]
বাণিজ্যিকনা
নিবন্ধনঐচ্ছিক[নোট ১]
ব্যবহারকারী>২,৮৭,৪১৪ সক্রিয় সম্পাদক[নোট ২] এবং >১১,০৩,১৪,৬৯০ নিবন্ধিত সম্পাদক
চালুর তারিখ১৫ জানুয়ারি ২০০১; ২২ বছর আগে
বর্তমান অবস্থাসক্রিয়
বিষয়বস্তুর লাইসেন্স
সিসি অ্যাট্রিবিউশন / শেয়ার-আলাইক ৩.০
এছাড়াও অধিকাংশ লেখা জিএফডিএল ডুয়াল লাইসেন্সের অধীনে, মিডিয়া লাইসেন্সকরণ পরিবর্তিত হয়।
প্রোগ্রামিং ভাষাল্যাম্প প্ল্যাটফর্ম[৩]
ওসিএলসি সংখ্যা52075003

উইকিপিডিয়া উইকিমিডিয়া ফাউন্ডেশন কর্তৃক হোস্টকৃত, যা একটি আমেরিকান অলাভজনক সংস্থা যা মূলত অনুদানের মাধ্যমে অর্থায়ন করে।

১৫ জানুয়ারি ২০০১ সালে জিমি ওয়েলস এবং ল্যারি স্যাঙ্গার উইকিপিডিয়া চালু করেন। উইকি এবং এনসাইক্লোপিডিয়ার মিশ্রণ করে স্যাঙ্গার এর নামটি তৈরি করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে এটি ইংরেজিতে উপলব্ধ ছিল। পরবরতীতে একটি পিন্ডারিশব্দে উইকি (এটি সম্মিলিত ওয়েবসাইটের এক প্রকার নাম, হাওয়াইয়ান ভাষায় "হাঁটা") এবং বিশ্বকোষ। 'উইকি উইকি' মানে দাঁড়িয়ে ছোট-ছোট পায়ে হাঁটা। উইকি ওয়েব সংস্কৃতিতে সবার ছোট-ছোট অবদান যুক্ত হয়েই এই সাইটটির মত ক্রমবর্ধমান সংগ্রহে গড়ে ওঠে। বর্তমানে এটি সব থেকে বড় এবং সর্বাধিক জনপ্রিয় ইন্টারনেট ভিত্তিক তথ্যসূত্র হিসাবে ব্যবহার হয়।

ইংরেজি উইকিপিডিয়ার প্রতিষ্ঠার পর ধীরে ধীরে অন্যান্য ভাষায় উইকিপিডিয়ার দ্রুত বিকাশ করা হয়। উইকিপিডিয়া সম্প্রদায় বিশ্বব্যাপী সম্মিলিতভাবে ৩৩২টি ভাষার উইকিপিডিয়ায় প্রায় ৪০০ লক্ষ নিবন্ধ রচনা করেছেন, যার মধ্যে শুধুমাত্র ইংরেজি উইকিপিডিয়াতেই রয়েছে ৬৬ লক্ষের অধিক নিবন্ধ। উইকিপিডিয়াতে প্রায় প্রতি মাসে ২ বিলিয়ন বার প্রদর্শিত হয় এবং প্রতি মাসে ১৫ মিলিয়নেরও বেশি সম্পাদনা (প্রায় গড়ে প্রতি সেকেন্ডে ৫.৭ টা সম্পাদনা) করা হয় (জানুয়ারি ২০২৩-এর হিসাব অনুযায়ী)।২০০৬ সালে, টাইম ম্যাগাজিন বলে যে কাউকে সম্পাদনা করার অনুমতি দেওয়ার নীতি উইকিপিডিয়াকে "বিশ্বের বৃহত্তম (এবং সেরা) বিশ্বকোষ" করে তুলেছে।


উইকিপিডিয়া ওয়েবসাইট উন্মুক্ত প্রকৃতির হওয়ায় এখানে লেখার মান,ধ্বংসপ্রবণতা এবং তথ্যের নির্ভুলতা রক্ষা করতে বিভিন্ন উদ্যোগ পরিচালিত হয়ে থাকে।তবে, কিছু নিবন্ধে অপরীক্ষিত বা অযাচাইকৃত বা অসঙ্গত তথ্য থাকতে পারে। উইকিপিডিয়া জ্ঞানের গণতন্ত্রীকরণ, কভারেজের পরিধি, অনন্য কাঠামো, সংস্কৃতি এবং বাণিজ্যিক পক্ষপাত হ্রাস করার জন্য প্রশংসিত হয়েছে। আবার এটি পদ্ধতিগত পক্ষপাত প্রদর্শনের জন্য সমালোচিত হয়েছে, বিশেষ করে নারীর প্রতি লিঙ্গ পক্ষপাত এবং কথিত আদর্শগত পক্ষপাতিত্বের জন্য। ২০০০-এর দশকে উইকিপিডিয়ার নির্ভরযোগ্যতা প্রায়শই সমালোচিত হয়েছিল, কিন্তু সময়ের সাথে সাথে এটি হ্রাস পেয়েছে, কারণ উইকিপিডিয়া সাধারণত ২০১০-এর দশকের শেষের দিকে এবং ২০২০-এর দশকের শুরুতে প্রশংসিত হয়েছে।